আগামী ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি আব্দুল জলিল বিশ্বাস।

THE daily pabna

একজন আদর্শবান রাজনৈতিক ব্যক্তি আব্দুল জলিল বিশ্বাস কোনো কিছু চাওয়া পাওয়ার হিসাব না করে স্কুল জীবন থেকে আজ অবধি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে লালন করে হাতে গোনা যে কয়েকজন নেতা রাজনীতির মাঠে আছেন তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম।

যিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদপুর উপজেলা
শাখার স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক।
মামলা জুলুম সহ নানাবিধ নির্যাতন নিপীড়ন হয়রানিকে পিছনে ফেলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের কান্ডারী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ফরিদপুর ইউনিয়নের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন তিনি।
তিনি নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থেকে সেবার ব্রতী নিয়ে দলীয় নেতা কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের বিপদ আপদে ছুটে বেড়ান।

তিনি পাবনার ফরিদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামে ১৯৮১ সালের ১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
সৎ, নিষ্ঠাবান, পরপোকারী আব্দুল জলিল বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে মানব সেবায় আত্মনিয়োগের লক্ষ্যে স্কুল জীবনে জড়িয়ে পরেন ছাত্র রাজনীতিতে।
২০০০ সালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রাবস্থায় নিজ নেতৃত্ব গুণাবলীর কারণে ক্লাস শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।
লেখাপড়ার পাশাপাশি কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষা শান্তি প্রগতি ছাত্রলীগের এই তিন মূল নীতি প্রচার করে
ছাত্রদেরকে সংগঠিত করায় হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজে ছাত্রলীগের ব্যাপক প্রসার ঘটে।

তিনি ২০০০ সালে ফরিদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। (মেয়াদকাল: ২০০২ থেকে ২০০৪)
এবং সেসময় তিনি ছাত্রলীগের সকল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার কারণে তৎকালীন চার দলীয় জোটের এবং পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন।
২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন এমপি মহোদয়ের পক্ষে নৌকা মার্কায় নির্বাচন করার কারণেও তিনি তৎকালীন চার দলীয় জোটের এবং পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন।
তিনি ২০০৮ সালে ফরিদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন।
২০১৩ সালে তার মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। (মেয়াদকাল: ২০১৩ থেকে চলমান)

তিনি শিক্ষানুরাগী হিসেবে চিথুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরপর দুইবার নির্বাচিত সভাপতি নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি সৎ ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার কারনে ফরিদপুর উপজেলার আন্ত: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।
শুধু তাই নয় ফরিদপুর উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বর্তমানে বেড়হাউলিয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
ফরিদপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। (সাবেক)

তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় কারণে বাংলাদেশ পাট চাষ সমিতি ফরিদপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এবং পাবনা জেলা পাট চাষ সমিতির কার্যকরী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও তিনি চিথুলিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ এই রাজনৈতিক জীবনে তার কোন ক্যাডার বাহিনী নাই।
স্বচ্ছ রাজনীতির কারণে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী
কর্মকান্ড, টেন্ডারবাজী ও চাঁদাবাজীর মতো কোন অপকর্মের নূন্যতম সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বরং মাদক ও সমাজ বিরোধী অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছ থেকে সুনাম অর্জন করেছেন।
ছাত্র সমাজের ন্যায়সঙ্গত বিভিন্ন আন্দোলন, স্বৈরাচার
ও চার দলীয় জোট বিরোধী গণআন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার নির্যাতন, নিপীড়নের স্বীকার হয়েছেন তিনি।
১/১১ এর তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবৈধভাবে
ক্ষমতা গ্রহণের পর জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হলে তার প্রতিবাদে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার
বাংলা প্রতিষ্ঠায় ও সুস্থ্য ধারার রাজনীতি প্রবর্তনে অঙ্গিকারবদ্ধ আব্দুল জলিল বিশ্বাস মানুষের কল্যাণে সেবার ব্রতী নিয়ে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রাজনীতির
মাঠে থাকবেন।

ফরিদপুর ইউনিয়নবাসীর প্রাণের দাবি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আব্দুল জলিল বিশ্বাস কে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *