চাটমোহরে বই মেলার কেন হয়না- প্রশ্ন তুলছে সাধারণ মানুষ

দৈনিক পাবনা

মেহেদী হাসান পাবনা(চাটমোহর)

যুগ যুগ ধরে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত মানুষেরাই প্রগতির ধারা সৃষ্টি করেছেন। তাই দেশকে সুখী, সুন্দর ও সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলতে বই পড়ায় সচেষ্ট হতে হবে। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হলে নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষিত হয়ে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ সর্বক্ষেত্রে দেশকে আগামীর পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে ও মানুষকে ভালোবাসতে, দেশকে ভালোবাসতে এবং একজন সার্থক মানুষ হতে প্রয়োজন বইয়ের আলো। উন্নত জাতি ও রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হলে জ্ঞান ও শিক্ষার সমন্বয়ের পাশাপাশি বড় মনের আলোকিত মানুষ হতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে যত বেশি বই তুলে দেওয়া যাবে, ততই তারা জ্ঞানসমৃদ্ধ হবে। দেশকে নেতৃত্ব দেবে সেই তরুণ প্রজন্মকে যোগ্য করে তুলতে পাঠের বিকল্প নেই। ‘বই পড়ুন, জীবন গড়ুন’—এ জাতীয় স্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বড় স্বপ্ন দেখতে হলে আর বড় মনের জন্য চাই বই পাঠের সুঅভ্যাস। ছাত্রজীবন থেকে বই পড়ার অভ্যাস করা উচিত। গ্রামগঞ্জে যদি একটি করে পাঠাগার গড়ে তোলা যেত এবং প্রতিবছর বই কেনার ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে সমাজের বিত্তহীনদেরও বই পড়ার সুযোগ হতো এবং চাটমোহরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মেধা ও মননের চর্চা হতো। ফলে জ্ঞানের আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ত। চাটমোহর একটা মডেল উপজেলা এবং সেই সাথে শিক্ষাতেও অনেক এগিয়ে আছে, শিক্ষার্থীরা যদি পাঠ্য বই পড়ে তাদের জ্ঞান বিকাশ ভালো ভাবে হবে না দরকার পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি অন্যবই পড়ার অভ্যাস । এই অভ্যাস এবং উৎসাহ প্রদান করা যেতে পারে বই মেলার মাধ্যমে । কারণ সত্যিকারের ভালো মানুষ হতে হলে শুধু শিক্ষিত নয় স্বশিক্ষিত/ সুশিক্ষিত হতে হবে। তবেই সুস্থ, সুন্দর সমাজ গড়া সম্ভব সেই জন্য প্রয়োজন সঠিক শিক্ষার আর এ শিক্ষা হতে পারে বই পড়ার মাধ্যমে। বই পড়ার অভ্যাস সৃষ্টি করা যেতে পারে গ্রামগঞ্জে লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করে আর বই মেলার মাধ্যমে।তাই তো আমাদের পাবনা এমনকি পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভাঙ্গুড়াতেও আয়োজন করা হয় বই মেলার। আমাদের চাটমোহরকে আরো সুস্থ সুন্দর হিসাবে গড়ে তুলতে হলে প্রয়োজন লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা ও বই মেলার আয়োজন করা।

যথাযথ কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে দৃষ্টি দিবেন বলে আশা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *