প্রবাস মানে হাজার কষ্টের মাঝেও বলতে হয় ভালো আছি -এস এইস সাগর

প্রবাস

প্রবাসে এসে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে করতেই ২/৩ বছর শেষ হয়ে যায়। তারপর যেই না কোমরটা একটু সোজা হয়ে দাঁড়ানোর সময় হয় তখনই শুরু হয় ফ্যমেলির ক্যাসাল “ভাঙ্গা বাড়িতে আর কয়দিন থাকা যায় বাবা? এইবার বাড়ির কাজে হাত দে”।

তারপর বাড়ির কাজ শেষ করতে করতে ২/৩ বছর পার হয়ে যায়। যখন বাড়ির কাজ শেষ হয় তখন শোনা যায় অমুকে সস্তায় জমি বেঁচবে তমুকে বাজারে দোকান বেঁচবে। ব্যাস, শুরু হয় ঘ্যানর ঘ্যানর। শুরু হয় মাস শেষে তার জন্য টাকা পাঠানো। যখন এই জমির ঝামেলা শেষ হয় তখন দেখা যায় মাথায় চুল কালো থেকে সাদা হয়ে গেছে!

প্রবাসের দশ বারো বছর এভাবেই শেষ হয়ে যায়। তারপর বিয়াশাদী করতে গিয়া শুরু হয় আরেক ঝামেলা। অনেক বাপ মা প্রবাসী ছেলেদের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে চায়না। অনেক গার্জিয়ান ছেলেরে জিজ্ঞেস করে এতো বছর বিদেশ কইরা নিজের জন্য ব্যাংক ব্যালেন্স কেমন করছো! প্রশ্নটা শুনতে খারাপ লাগলেও উত্তরটা অনেক সময় ভাবনায় ফেলে দেয়। আসলেইতো। একজন প্রবাসী যখন দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকে তখন তার নিজের জন্য কতটুকু জমা থাকে🤔

সিয়াম হোসেন সাগর
সিঙ্গাপুর প্রবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *