সবকিছুতে ভুল ধরা বিএনপির বদঅভ্যাসে পরিণত হয়েছে

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেছেন, মির্জা ফকরুল ইসলাম যেভাবে কথা বলেছেন তাতে মনে হয় বেসরকারি সংস্থার টাকা সরকারি কোষাগারে নেয়া হবে। বিষয়টি তা নয়। এগুলো সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে নেয়ার জন্য সংসদে বিল পাস হয়েছে। এটি নি:সন্দেহে একটি ভাল আইন। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী হবে। আসলে সবকিছুতে ভুল ধরা বিএনপির বদঅভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বিএনপি সে বদঅভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় পাবনা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তথ্য মন্ত্রী।

তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। অনেক উন্নত দেশের তুলনায় ভালো ভোট হয়েছে। ইভিএম এ ভোট কারচুপির সুযোগ নাই। ফিংগার না মিললে ভোট দেয়ার সুযোগ নাই। ফিংগার প্রিন্ট না মেলায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেও ভোট দিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। একজনের ভোট অন্যজন দেয়ারও সুযোগ নাই। কম ভোট পরার ক্ষেত্রে বিএনপি অনেকাংশে দায়ি। বিএনপি মানুষের মধ্যে দ্বিধা ও আশংকা সৃষ্ঠি করেছে যার ফলে ১০/১৫ শতাংশ ভোট কম পরেছে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৯ শতাংশ নয় ৩০ শতাংশের বেশী ভোট পরেছে। বিএনপি ভোটের অংকে ভুল করেছে।

তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর কারণে সারা বিশ্বে সংবাদ মাধ্যম গুলোকে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো বন্ধ করার জন্য নয় নিয়ম নীতির মধ্যে আনার জন্য কাজ চলছে। বর্তমানে কিছু বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলে যাচ্ছে। এব্যাপারে করের আওতায় আনার জন্য কাজ কাজ চলছে।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরের কথায় মনে হয় কোন প্রাইভেট কোম্পানীর টাকা সরকারের ঘরে যাচ্ছে। অর্থ ব্যবস্থাকে নিয়ম নীতির মধ্যে আনার জন্য যে সকল সরকারী সংস্থায় অতিরিক্ত টাকা অর্থাৎ যে সকল টাকা প্রয়োজন হয় না সে সব টাকা নেয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি, সাংগাঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মেদ ফিরোজ কবির, স্কয়ার ট্রয়রেট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালন অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ, পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *