পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে যুবলীগ নেতার ভিডিও ভাইরাল!

রাজশাহীর পুঠিয়ায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে তার পরকীয়া প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

যুবলীগ নেতা সুমনউজ্জামান সুমন বলেন, আমার প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ফাঁসানোর জন্য এগুলো করেছে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমনউজ্জামন সুমন বেলপুকুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামন বদির ছেলে। সুমন এবং ওই নারী দুজনেই বিবাহিত।

সুমন প্রায় এক বছর আগে পৌর সদর এলাকার ওই সনাতন ধর্মীয় ও দুই সন্তানের জননীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তারা মাঝেমধ্যে বিভিন্ন স্থানে ঘনিষ্ঠতায় মিলিত হতেন। আর একটি পক্ষ তাদের বিশেষ মুহূর্তের দৃশ্যগুলো মোবাইলে ধারণ করে।

একপর্যায়ে সেই ভিডিও এবং তাদের ঘনিষ্ঠতার ঘটনাটি জানাজানি হতে শুরু করে। বিষয়টি সুমন বিভিন্ন মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সাবেক পৌর মেয়রের তদারকিতে প্রায় লক্ষাধিক টাকায় ওই নারীর সঙ্গে রফাদফা করা হয়। কিন্তু গত কয়েক দিন থেকে তাদের দুইজনের ঘনিষ্ঠতার একটি ভিডিও মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমনউজ্জামান সুমন বলেন, ওই নারীর সঙ্গে এক সময় আমার সম্পর্ক ছিল। সেই সময় ওই নারী আমাকে ফাঁসাতে কৌশলে মোবাইলে কিছু আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ করেছে। এ ঘটনায় কয়েক মাস আগে লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে ওই নারীর সঙ্গে আমার সমঝোতা হয়েছিল। তবে মনে হচ্ছে, সম্প্রতি ওই নারী আবারো অর্থ হাতিয়ে নিতে ভিডিওটি প্রকাশ করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি গত ২৬ সেপ্টেম্বর বেলপুকুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। তারপর আমার প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমাকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ফাঁসানোর জন্য এগুলো করছে।

ওই যুবলীগ নেতার পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ মুহূর্তে কিছুই বলতে চাচ্ছেন না বলে জানান।

এদিকে পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়াদী হোসেন বলেন, মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে এমন একটি অভিযোগ করতে এসেছেন এক নারী। আমরা অভিযোগটি মামলাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। সেই সঙ্গে যারা সামাজিক মাধ্যমের গ্রুপে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন তাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। সন্দেহভাজন দুই-একজনের ফোন আমরা যাচাই করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *